Facebook Solution

ফেসবুক মার্কেটিং এর ব্যাসিক কি? ২০২০

ফেসবুক মার্কেটিং কি ২০২০

ফেসবুক মার্কেটিং কি ? ২০২০ এর সেরা সংকরন।

ফেসবুক হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং মোষ্ট পপুলার সাইটের মধ্যে একটা। ২০২০অর্থাৎ ভিজিটর এবং ব্যবহারকারীর দিক থেকে ফেসবুক এর অবস্থান হচ্ছে ৩য়।

আপ্নার যেকোন বিজনেসই হোক না কেনো কিংবা আপনি যেকোন প্রোডাক্টই সেল করেন না কেন বা যেই সার্ভিসই দেন না কেন আপনি আপনার টার্গেট অডিয়েন্স খুব সহজেই ফেসবুক এ পেয়ে যাবেন। কারন বর্তমানে আমরা ফেসবুক ব্যবহার করি না এমন মানুষ খুব কমই আছি।

আমাদের হাতে একটি স্মার্টফোন আছে মানেই ফেসবুক এপস ও আছে।কারন বন্ধু হতে যেকোন সংবাদ জানার ক্ষেত্রেই আমরা আমাদের হাতের মধ্যেই সব খবরাখবর জানতে পারছি।

তো বন্ধুরা আবারো আপনাকে আপনার নিজের ব্লগে স্বাগতম।আশা করি আজকের পোষ্ট এর বিষয় দেখে আপনার জানতে ইচ্ছা করতে পারে যে ফেসবুক মার্কেটিং কি কিংবা ফেসবুক মার্কেটিং করে কিভাবে আয় করা যায়?

সে সব জল্পনা কল্পনা কাটিয়ে আমার নিবন্ধিত ব্লগে আমি আজকে ফেসবুক মার্কেটিং এর ব্যাসিক নিয়ে আলোচনা করার জন্য করে বুঝিয়ে দিবো যে ফেসবুক মার্কেটিং কিভাবে করব?ফেসবুক মার্কেটিং কত প্রকার হতে পারে। আর এর জন্য আপনাদের থেকে আমি সময় নিচ্ছি মাত্র কয়েক মিনিট।

ফেসবুক মার্কেটিং

এবং চেষ্টা করবো ফেসবুক মার্কেটিং এর যে পপুলার টুল গুলো আছে সে গুলোর বিষয়ে কথা বলার জন্য এবং এ বিষয়ে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেয়ার। তো চলুন দেখে নেই আজকের পোষ্ট।

 

১। ফেসবুক মার্কেটিং?

২। ফেসবুক মার্কেটিং কিভাবে করবেন!

৩। ফেসবুক মার্কেটিং এর কি কি টুল ব্যবহার করবেন।

প্রথমে আপনাদের বুঝতে হবে ফেসবুক আসলে কি,যদিও বা আমরা প্রায়ই জানি তবে যারা জানি না তারা কি ভেবেছেন আসোলেই আমি যে জিনিস তা প্রতিদিন ব্যবহার করে আসছি সে জিনিস টা কি?
#ফেসবুক হচ্ছে একটা সোশ্যাল মিডিয়া সাইট কিংবা সোশ্যাল নেটোওয়ার্কিং সাইট বা একটি ডেটিং সাইট যেখানে আমরা আমাদের ফ্রেন্ডস বা যেকোন লোক দের সাথে কানেক্ট থাকতে পারি এবং নতুন বন্ধুত্ব করতে পারি।
আর এই ফেসবুক কে কাজে লাগিয়ে কোন পন্য বা প্রোডাক্টের সেল বা মার্কেটিং ক্যাম্পিং পরিচালনাই হচ্ছে মূলত ফেসবুক মার্কেটিং
#ফেসবুক মার্কেটিং করতে হলে আপনাকে ৩ টি টুলের সাহায্য নিতে হবে। যদিও আপনি ৩টি টুল এর মধ্যে ১ টি টুল ব্যবহার করে ক্যাম্পেইন পরিচালনা করতে পারবেন।
কিন্তু এর বাইরে মানে এই ৩ টি টুলের বাইরে কোন আলাদা অপশন না ফেসবুক মার্কেটিং ক্যাম্পেইন পরিচালনা করার।

ফেসবুক মার্কেটিং টুল গুলো কি কি।

  • ১। ফেসবুক পেজ
  • ২। ফেসবুক গ্রুপ
  • ৩। ফেসবুক অ্যাডস
অর্থাৎ আপনি যাই করেন ফেসবুক মার্কেটিং বলতে মূলত এই ৩ টি পেজ, গ্রুপ এবং অ্যাডস এ কাজ করে কোন প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের মার্কেটিং ক্যাম্পেইন পরিচালনা করতে হবে আপনাকে।
এখানে আপনাদের ছোট একটি ইনফরমেশন জানা দরকার।
সেটি হচ্ছে প্রত্যকে সাক্সেস্ফুল মার্কেটিং ক্যাম্পেইন শুরু হয় একটা সাক্সেসফুল মার্কেট রিসার্চের মাধ্যমে। তাই আপনাকে অবশ্যই বুঝতে হবে এবং আপনাকে জানতে হবে আপনি কাদের জন্য প্রোডাক্ট এবং সার্ভিস তৈরী করেছেন বা করবেন এবং আপনাদের টার্গেটের গ্রুপে কারা?

কাদের কাছে আপনি আপনার প্রোডাক্টের সার্ভিস সেল করতে চাচ্ছেন। আপনি যদি সেটা জানেন তাহলেই আপনি আপনার মার্কেটিং এর ক্যাম্পেইন শুরু করতে পারবেন খুব সহজেই।

তো চলুন প্রথমেই যেটি আছে “ফেসবুক পেজ” কিভাবে ক্রিয়েট করবো এবং ফেসবুক পেজ দিয়ে আপনি মার্কেটিং ক্যাম্পেইন পরিচালনা করবেন। সে বিষয়ে খেয়াল করি।

 

ফেসবুক পেজঃ

প্রথমেই আপনাকে আপনার প্রফাইলে লগিন করতে হবে।

 

ফেসবুক মার্কেটিং
প্রোফাইলে লগিন করার পর হোম পেজ আসবে এবং সেখানে উপরের ছবিটির মত Create লেখা দেখবেন এর পর আপনাকে সেখান থেকে নতুন পেজ ক্রিয়েট করতে হবে এবং উপরের ছবিটির মতো ইন্টারফেস আসবে , এবার আপনি কোন ধরনের ফেসবুক পেজ তৈরী করবেন?
আপনার যদি লোকাল বিজনেস বা প্লেস হয় কিংবা রেষ্টুরেন্ট বা হোম বিজনেস প্লান হয়,আপ্নার যদি কোন লোকাল ক্লিনিং কোম্পানীর ক্যাটাগরির পেজ হয় তাহলে আপনাকে ১মে থাকা Business Or Brand সিলেক্ট করতে হবে।
এরপর আপনাকে আপনার কোম্পানী বা অর্গানাইজেশন এর নাম সিলেক্ট করে ক্যাটাগরী পছন্দ করতে হবে মানে আপনি যে সার্ভিস প্রোভাইড করতে চান সেই ক্যাটাগরী সিলেক্ট করে Continue  করে দিবেন।
আর যদি কোন কমিউনিটি কিংবা হতে পারেন কোন পাব্লিক ফিগার সে ক্ষেত্রে আপনাকে ২য় নং এর Community Or public Figure সিলেক্ট করতে হবে।
এর পর নাম দিয়ে যেকোন একটা ক্যাটাগরি নিতে হবে।
এখানে যদি আপনার কোন ওয়েবসাইট থাকে এবং যেকোন প্রোডাক্ট সেল এর ব্রান্ড নেম থাকে তাহলে তার ওয়েবসাইট সিলেক্ট করে নিতে হবে।
এর পর আপনার পেজ তৈরী হয়ে গেলো এবার আপনি আপনার পেজ কে প্রোফেশনাল আউটলুক দিয়ে দিন এর জন্য খুব সুন্দর করে পেজের ডেস্ক্রিপশন, প্রোফাইল ছবি এবং কভার আপ্লোড করে মেইল,ওয়েবসাইট এবং লোকেশন দিয়ে দিন।
এক্ষেত্রে যদি আপনার কোন প্রোডাক্ট হয় তাহলে প্রোডাক্টের ছবি আপ্লোড করতে পারেন। আর কভার ফটোতে প্রোডাক্ট রিলেটেড এবং প্রোডাক্ট দেখাতে পারেন।
এর পর সব থেকে বেশি যে ইম্পরট্যান্ট একটি কাজ করবেন সেটি হচ্ছে আপনার পেজ কে ফাঁকা না রেখে কয়েকটি পোষ্ট করার।
প্রায় ১০ থেকে ২০ টির মত তাতে কাস্টমার রা আপনার পেজে এসে দেখতে পায় কিংবা বুঝতে পারে যে আপনি কোন ধরনের কন্টন্ট নিয়ে কাজ করেন কিংবা কি ধরনের সার্ভিস প্রোভাইড করেন।
এক্ষেত্রে আপনার যদি কন্টেন্ট একবারে নতুন হয় কিংবা পোষ্ট করার মত একবারেই কিছু না থাকে তাহলে চেষ্টা করবেন সুন্দর এবং চমৎকার কিছু ভিডিও ইউটিউব থেকে নিয়ে আপ্লোড করার। এবং বেশ কিছু ফটো শেয়ার করার।

ফেসবুক গ্রুপঃ

এবারে দেখে নেই কিভাবে ফেসবুক গ্রুপ তৈরী করবেন, এর জন্য আপনাকে আবারো হোম পেজে সেইম ভাবে যেতে হবে হবে এবং আবারো উপরের এরো তে ক্লিক করতে হবে।
ফেসবুক মার্কেটিং
ক্লিক করে ক্রিয়েট গ্রুপ এ ক্লিক করুন।
গ্রুপে ক্লিক করার পর একটি নতুন উইন্ডো আসবে গ্রুপ তৈরী করার জন্য
এবার আমরা একটি জেনে নেই ফেসবুক পেজ এবং গ্রুপের মধ্যে পার্থক্য কি?
 
কারন এই বিষয় টা অনেকের কাছেই কনফিউশন এর মত কাজ করে।
তো বিষয় টা এমন যে আপনার ফেসবুক গ্রুপে যে কেউ পোষ্ট করতে পারবে এবং আপনি চাইলে মডারেট এড করেও সব কিছু সামলে নিতে পারবেন,কিন্তু যে কেউ পোষ্ট করার জন্য একটা পসিবলিটি থাকবে ,এবং তারা তাদের প্রব্লেম এবং যে কেউ এটার সমাধান দিতে পারবেন। মানে ফেসবুক গ্রুপ কে ফোরাম বলা যেতে পারে।
আপনারা হয়তো অনেকেই ফোরাম ব্যবহার করে থাকেন এবং যারা ব্যবহার করেন তারা খুব সহজেই এর ব্যবহার বুঝতে পারবেন।
তবে এক্ষেত্রে পেজ কয়েক জন এডমিন এবং এডিটরের সাহায্য পরিচালনা করতে হয় এবং পোষ্ট গুলো স্বার্বজনীন করা থাকে।
তাই এটাকে একটা কমিউনিটি বলা যায় অর্থাৎ একটি স্পেসেফিক বিষয়ের উপর আপনি কমিউনিটির ক্রিয়েট করতে পারেন এবং ফেসবুক পেজ ও গ্রুপের মধ্যে আরেকটা বড় পার্থক্য হচ্ছে ফেসবুক পেজ আপনি প্রাইভেট করতে পারবেন না তবে আপনি চাইলে কিছু কিছু দেশ রেষ্ট্রিকশন করে দিতে পারবেন।
তবে প্রাইভেটলি ফেসবুক পেজ ব্যবহার করা যায় না।
আপনি চাইলে এর ভিজিবিলিটি বন্ধ করে দিতে পারেন সবার জন্য।
আর ফেসবুক গ্রুপের বড় সুবিধা হচ্ছে একে প্রাইভেটলি ব্যবহার করতে পারবেন।
আপনি গ্রুপের সেটিং এ গেলেই দেখতে পারবেন পাব্লিক গ্রুপ(যে কেউ দেখতে পারবে,যে কেউ পোষ্ট করতে পারবে), ক্লোজ বা বন্ধ গ্রুপ(যেকেউ মেম্বার দের দেখতে পারবে তবে বাইরের কেউ পোষ্ট গুলো দেখতে পারবে না।), শেষে হচ্ছে সিক্রেট গ্রুপ( এটি খুবই সিক্রেট, শুধুমাত্র যারাই সদস্যে বা মেম্বারে থাকবে তারাই দেখেত পারে জানতে পারবে এবং পোষ্ট করতে পারবে)।
তো বন্ধুরা এবারে আমরা দেখে নেই আমাদের সর্বশেষ টুল (ফেসবুক অ্যাডস)

ফেসবুক অ্যাডসঃ

ফেসবুক অ্যাডস মূলত পেইড প্রোমোশন অর্থাৎ এই কাজ টি করতে হলে আপনাকে টাকা গুনতে হবে। এবং ফেসবুক অ্যাডস রান করতে হলে আপনাকে যে যে ওয়ে ফলো করতে হবে।
প্রথম ওয়ে ডিরেক্ট বুষ্ট –

ফেসবুক অ্যাডস ব্যবহার করার জন্য আপনি চাইলে সরাসরি পেজ এ গিয়ে আপনার পোষ্ট করা প্রোডাক্টের নিচে লেখা Boost Post  এ ক্লিক করে আপনার টার্গেট লোকেশন ,আপনি কত ডলারের বুষ্ট করতে চান সেটি চুজ করতে হবে এর পর আপনার ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড বা পেপাল এড করে নিতে হবে। এর পর আপনাকে কন্টিনিউ করে দিলেই  কিছুক্ষন অপেক্ষা করতে হবে ফেসবুক অ্যাডস রানিং হবার জন্য।

Also Read: ফেসবুক হ্যাক আইডি রিকভার কিভাবে করতে হয় দেখে নিন

 

দ্বিতীয় ওয়ে অ্যাডস ম্যানেজার একাউন্ট থেকে:
এর জন্য আপনাকে প্রথমে আপনার একাউন্টে লগিন করার পর আপনার যেখান থেকে লগ আউট করবেন সেখান দেখবেন ক্রিয়েট এডভার্টাইজ অপশন,এবং ক্লিক করার পর আপনার ফেসবুক অ্যাডভার্টাইজ বা অ্যাডস মানেজার আছে সেটি দেখতে পারবেন।

তো ফেসবুকে নরমালি আমরা ব্রান্ড এওয়ারনেস,এপ ইনস্টল, রিচ ট্রাফিক ইনগেজমেন্ট,ভিডিও ভিউজ,লেড জেনারেশন, কনভার্ট প্রোডাক্ট ক্যাটাগরি এবং স্টোর ভিজিট এই অ্যাদ গুলো তৈরী করতে পারি।

আর প্লেইসমেন্ট এর ক্ষেত্রে আমরা ডেস্কটপ,নিউজ ফিড,মোবাইল নিউজ ফিড, এবং আমরা রাইট কলাম বা রাইট কলামের অ্যাড তৈরী করতে পারি।

 

তো ধরুন আমরা ব্রান্ড আওয়ারনেস চুজ করলাম এবং দেখতে পারবো যে সেটাপ একাউন্ট আসছে এর পর আপনি আপনার কান্ট্রি সিলেক্ট করে নিন বাংলাদেশ বা আপনি যে কান্ট্রি চান।

এর পর আপনার টাকা বা পছন্দ করতে হবে এবং আপনার রিজিয়ন পছন্দ করতে হবে।

এখন আপনাকে অ্যাডভার্ট নাম সিলেক্ট করবেন,এবং আপনার ইন্টাররেষ্ট পছন্দ করবেন,এর পর আপনার টার্গেট লোকেশন সিলেক্ট করবেন।

এর পর এডভান্স অপশন সিলেক্ট করতে পারেন। মেইনলি অনেক কিছু করতে পারবেন।

এটা আপ্নি দেখলে বুঝে যাবেন।

আপনি যদি ওয়েবসাইট ভিজিটর চান সে ক্ষেত্রে আপনি আপনার পছন্দ সিলেক্ট করতে পারেন।
তো বন্ধুরা এটাই ছিলো আপনার জন্য ব্যাসিক বিষয় আজকের ৩ টি টুল নিয়ে,আমরা আগামীতে দেখবো কিভাবে একটা সুন্দর অ্যাডস তৈরী করা যায়,কোন ধরনের অ্যাড তৈরি করলে আপনার কোন ধরনের ইফেক্ট পরতে পারে এবং কিভাবে বুষ্ট করলে আপনার রীচ বাড়বে সে বিষয়ে আমি আলাদা অন্য একটি পোষ্ট করে বুঝিয়ে দেয়ার চেষ্টা করবো।

কারন প্রতিটা বিষয় অনেক বেশি ইনফরমেশন দেয়া দরকার হবে,কারন অনেক কিছুই এগুলার সাথে রিলেটেড রয়েছে।কারন সে বিষয় গুলী বিস্তারিত ভাবে না বুঝিয়ে দিলে আপনারা বুঝতে পারবেন না।

তো চেষ্টা করবো ভবিষ্যতে আপনাদের জন্য একটি ইনফমেটিভ আলোচনা করে বুঝিয়ে দেয়ার জন্য আর ছিলো আজকের ফেসবুক মার্কেটিং এর ব্যাসিক বিষয়।

তো প্রিয় বন্ধুরা এই ছিলো আমার আজকের বিস্তারিত আলোচনা আশা করি পোষ্ট টি আপনাকে মোটামোটি একটি আইডিয়া দিতে পেরেছে যে কিভাবে ফেসবুক মার্কেটিং করবেন এবং কি কি টুলের সাহায্য করবেন।

পোষ্টটি আপনি চাইলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন এবং কম্মেন্টে আপনার মতামত তুলে ধরুন তাহলে আপনাদের জন্য ফেসবুক মার্কেটিং সংক্রান্ত একটি পরিপূর্ণ ক্লাস নিয়ে হাজির হবো এবং আপনি খুব সহজেই ফেসবুক মার্কেটিং করে আয় করতে পারবেন।

Visit My Another Blog: Tips2Hub

Sabyasachi Dewery

Author | Blogger | Digital Marketing Influencer | Tech Researcher At www.sdewery.me

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button