Uncategorized
Trending

কিভাবে মানুষের অমরত্ব হবে

মানুষের অমরত্ব

কিভাবে মানুষের অমরত্ব হবে –

মৃত্যু মানুষ যেটি সব থেকে বেশি ভয় পায়। সবদাই মানুষ যেটি নিয়ে সব থেকে বেশি চিন্তা করা। মানুষের অমরত্ব হবার ইচ্ছাও অনেক বেশি এবং এটি কে না চায়?

আপনি হয় তো জানেন না যে বিখ্যাত মাইকেল জ্যাকসন যিনি অমরত্ব হতে চেয়েছিলেন। সবদা ওনার সাথে অনেক ডাক্তার থাকতেন। কিন্তু শেষ রক্ষা তিনিও পাননি। তাকেও একদিন মরতে হয়।

পৃথিবীতে কেউই অমর নয়। সকলকেই একদিন মরতে হয়। আপনি নিশ্চই চালস ডারইনকে চেনেন। উনিই বলেছিলেন পৃথিবীতে সকল প্রাণীই চায় অমর হতে কিন্তু ইহা প্রকৃতির নিয়মের বাইরে। কোনো প্রাণীই অমর হতে পারে না।

কিন্তু প্রকৃতি তাদের এক বিশেষ ক্ষমতা দিয়েছে। আর সেটা হল প্রজনন।যার মাধ্যমে হয় প্রাণী অমর হতে পারে না কিন্তু প্রাণী এর মাধ্যমে তার অস্তিত্ব বজায় রাখতে পারে। এবং চালস ডারইন আরও একটি কথা বলেন যে প্রকৃতি প্রাণীদের আরও একটি ক্ষমতা দেয় যে অভিজন যার মাধ্যমে প্রাণী অত্যন্ত কঠিন সময়েও বেচে থাকতে পারে।



যেমন আজ থেকে বহু বছর আগে এই পৃথিবীতে ডাইনোসরদের রাজ ছিল কিন্তু কালক্রমে সে বিনাশ হয়। কিন্তু প্রকৃতি আবারও তার বুকে এক নতুন সূচনা করে ।

মানুষের অমরত্ব নিয়ে যত কথা।

প্রকৃতি জন্ম দিল মানুষ নামে এক উন্নত প্রাণীর। এর মানে এই নয় যে প্রকৃতি শুধু মানুষকে ই জন্ম দেয় প্রকৃতি তার বুকে আরও প্রাণীর জন্ম দেয় কিন্তু তার মধ্য মানুষই এত বুদ্ধিমান কেন ? এর একটাই কারন তার সেটি হল মানুষের চিন্তা ভাবনা যা মানুষ নামের জীবকে আলাদা করে।

জীবের চিন্তা ভাবনা অনুসারে জীবদের কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।



টাইপ-১ যারা শুধু নিজেদের অবস্তান বুঝতে পারে যেমন – টিকটিকি ।

টাইপ-২ যারা নিজের অবস্তানের সাথে সাথে হাসি কান্না অনুভব ও প্রকাশ করতে পারে যেমন-কুকুর।

টাইপ-৩ যারা সময় সম্পকে জ্ঞান রয়েছে।



মানুষের অমরত্ব
কিভাবে মানুষের অমরত্ব হবে

এই ভাবেই মানুষ তাদের বুদ্ধি আর ভাবনা দিয়ে অনেক এগিয়ে গেছে। বর্তমানে মানুষ ঘরের এক কোনে বসে সারা বিশ্ব খবর একমুথয়। মানুষ আজ কয়েক হাজার কিমি রাস্তা মাত্র কয়েক মিনিটেই অতিক্রম করতে পারে। মানুষ আজ চাদে পৌছে গেছে আর মহাকাশের সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পেরেছে যেমন- কৃষ্ণ গহবর প্রমুখ।



কিন্তু আজ থেকে কয়েক বছর আগে পযন্ত মানুষ এই সবের চিন্তা ভাবনাও করতে পারত না। তাহলে একবার ভেবে দেখুন মানুষ কিভাবে দিনের পর দিন উন্নত হচ্ছে।

তবে এখন প্রশ্ন হল :- মানুষ এই ভাবে উন্নতি করতে করতে কি একদিন অমর হওয়ার উপায় জানতে পারবে? তা কিভাবে সম্ভব?

=> এই প্রশ্নের উওর জানব আমারা কিছু theory এর মাধ্যমে , প্রথমত হয়তো মানুষ অমর হওয়ার উপায় জানতে পারবে।

কিভাবে মানুষের অমরত্ব হবে
কিভাবে মানুষের অমরত্ব হবে

আজ থেকে যদি কিছু দশক আগে আমরা দেখি মানে ১৯৬০ এর সময় মানুষ গড়ে বাঁচত মাত্র ৫০ বছর কিন্তু বর্তমানে মানুষ গড় বেঁচে থাকে 76 বছর। তাহলে এখান থেকে বোঝা যাচ্ছে যে মানুষ যত দিন যাছে তত মানুষের গড় আয়ু বেড়ে যাছে। মানুষ বর্তমানে কঠিন থেকে কঠিনতম রোগ নিমুল করার উপায় পেয়ে গেছে।



এথেকে ই বোঝা যায় যে মানুষ ভবিষ্যতে হয়তো গড়ে ১০০ বছর করে বাঁচতে পারে।
কিন্তু মানুষ কখন অমর হতে পরবে না। এটি সরাসরি প্রকৃটিকে চ্যালেজ করা। কিন্তু পরোক্ষ ভাবে মানুষ অমর হতে পারে।

আরো দেখুনঃ রহস্যে ঘেরা ৫ টি অদ্ভুত ওয়েবসাইট ২০২১

—- কিভাবে? —-
মানুষ যখন মারা যায় তখন মানুষের কোষ মানুষের চোখ মানুষের সকল অঙ্গ মারা যায়। কিন্তু বিজ্ঞান বা আমাদের হিন্দু মতে মানুষের কেবল শরিরের ই মৃত্যু হয় মানুষ আত্মা মরে না। আত্মা শুধুই এক শরীর থেকে অন্য শরীর পরিবর্তন করে।

এখন প্রশ্ন হল তাহলে আত্মা কি এই শরীরের সকল অনুভুতি সকল স্মিতি অন্য শরীর এ যাওয়ার পড়েও কি মনে থাকে?
না মানে থাকে না মানুষ যখন মারা যায় তখন তার সাথে বুদ্ধি স্মিতি সকল অনুভুতি ও মারা যায়।

ঠিক এখান থেকেই এই theory এর সুচনা হয়।
এই theory অনুসারে ভবিষ্যতে বিজ্ঞানীরা হয়তো এমন একটি ডিস্ক বানাবে যা আমাদের মাথায় ব্রেইনের সাথে যুক্ত থাকবে।

মানুষের অমরত্ব

এবং এই ডিস্কে যেমন কোন অনুভুতি কোনো স্মিতি যেমন মস্তিষ্ক এর সাথে সাথে সেই ডিস্কে

ও সঞ্চয় হতে থাকবে। পরবর্তী সময়ে সেই মানুষটি যখন মারা যাবে তখন বিজ্ঞানীরা সেই ডিস্ক মানুষের মাথা থেকে খুলে নেবে ।

এখন হয়তো মানুষের মারা গেছে কিন্তু পরোক্ষ ভাবে সে বেঁচে আছে। আর পরবর্তী সময়ে সেই ডিস্কটি কোনো Robot এর মধ্যে input করে তাহলে মানুষ আবার তার নতুন রুপ পেয়ে যাবে।



এবং এই Technology এ আরও একটি সুবিধা আছে যে আমরা যদি ভবিষ্যতে Proximal sensory এ তে বসতি স্থাপনের জন্য অনেক সুবিধা ঘটবে.

Visit My Another English tech blog : Sakshi Dhoni

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button